Tuesday, June 20, 2017

প্রতিরোধ


আবার পুলিশি অত্যাচার । পুলিশ পুলিশই থাকে । আন্দোলনকারী থাকে আন্দোলনকারী। শুধু বেটন
আজ আর বেত নয়।

একটা ইজিপ্টের কবিতা পড়লাম। হোল। গহ্বর। কবি আহমেদ তাহা। তিনদিন ধরে যা ভাবছিলাম তাই নিয়ে লেখা। তারই ভাবে নিচের লেখা।।

http://jacketmagazine.com/36/egyptian-poets.shtml

আয়না।।
আয়নার পেছনে ওটা কার মুখ? রক্তাক্ত?
উদ্যত ব্যাটনে কার রক্তের দাগ? কমরেড?
নবান্নের পথে কারা গড়ে তোলে পাঁচিল?
কমরেড, আয়নায় ও কার রক্তাক্ত মুখ !!

যে যুবকের হাতে লাল পতাকা সে ছিল কি
ধর্মতলায়? ২১এ জুলাই? যে মার শরীরে
লাল জমাট রক্ত, সে ছিল কি নন্দীগ্রামে?
১৪ মার্চ, ২০০৭। কার মুখ দেখো আয়নায়?

ইতিহাস কথা বলে। আয়নায় দেখি মুখ বা
মুখোশ। যে ছিল আয়নার এ পাশে আজ
সেই ওপাশে চলে যায়। স্থান বদলায়। এ
সময় বড় অস্থির। তেমন অনুকূল নয়।

শিক্ষা নাও কমরেড। প্রতিকুল সময়। কথা
বলো। গনতন্ত্রের আজ বিপর্যয়। বিপ্লবের
এই তো সময়। জোট বাঁধো। প্রতিরোধ গড়ো।
শুধু মাঝে মাঝে আয়নায় মুখ দেখো নিশ্চয়।।

দরজা


দরজা।।

এই তো সামনেই খোলা দরজা
কি করবি তুই ?

ঢুকে যেতে পারিস সোজা
খোলা দরজা, অথবা
মুখ ঘোরাতে পারিস
উল্টোপথে

দরজার ওপার অন্য জগত
কেউ চিনবে না তোকে
তোর নাম, খ্যাতি
সব মুছে যাবে দেখিস
প্রথম পদক্ষেপে
তুই একলা
আবার

দরজার এপারটা তুই চিনিস
তোর খ্যাতির ঝলক
তোর নাম, বিষয়
অর্জিত অর্থ
সবটুকু নিয়ে
তুই আজ
যেরকম

ভেবে দেখ, নতুনের আহ্বান
অচেনা, অজানা
না কি বহমান
এই জীবন
তুই যেরকম

সিদ্ধান্ত তোরই
দরজা তো দরজাই
সে কি করে নেবে তোর সিদ্ধান্ত

ভেবে দেখ।।

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
Door

(Alamin Mazrui, Kenya)

Either you go
through this door
or you don't.

If you go through
there's a danger
of forgetting your name.
That's the problem.

Everything looks at you twice
Ashamed, you look away,
you let it happen.
You can't look for a fight.

If you don't go through
perhaps you'll have a good life.

you'll defend your ideals
you'll carry on with your work
you'll die a hero in your country

but perhaps many things will pass you by
you'll be blind to many things
at what cost? I don't know.

The door itself
can't make your decision
it's just a door!

স্বাক্ষরতায়


মানুষের যেমন তেমন গাছেরও আছে ইতিহাস
বনানীর গভীরে শোন ওই গভীর পুরনো শ্বাস
কত সভ্যতা দেখেছে ঋজু প্রাচীন বৃক্ষের সারি
কত ঝড় তুষার বৃষ্টি বরফের রাত অনাচারী

গল্পের মত প্রতিটি বাকলের শিরায় শিরায়
সভ্যতার আসা যাওয়া বৃক্ষের স্বাক্ষরতায় ।।

স্বপ্ন।।

Somalia. A land of famine. A land of war. A land of great food. And a land of great poets.

Am reading a collection of Somalian poetry. Loved this poem below.

It is a marvel. This poem below. That a poet dreams in Somalia. A dream that each of us dream. In accomplishing. In achieving. In fulfilling. Dreams. That we dare to dream.

Some dreams that we nurtur in our deep inner self.
Some dreams that we pass on to those we care for.

Dreams
( Poet: Asad Abdalle )

স্বপ্ন।।

একাকী বদ্বীপ দেখেছি বঙ্গোপসাগরে
হাঙরের হাত ধরে, তুমুল ঝড়ে
ঝাপসা চোখে
সান্দাকফুর বেস ক্যাম্পে শীতের রাত
গোর্খা দাজুর সাথে আগুনের তাপ
ফের পথ চলা
হাঁটতে হাঁটতে এবার সময় থামার
তবু রোজ ভোরে স্বর্ণালী পাহাড়
হাতছানি দেয়
চড়াই ভেঙে চলেছি অদ্ভুত নেশায়
একই স্বপ্ন দেখি রোজ তুষার ঝঞ্ঝায়
আমি, পাহাড় চূড়ায়

আমি, পাহাড় চূড়ায়
কেমন অলীক প্রায়।।
::::::::::::::::::::::::::::

Dream

Smile at an isle
Alone with a whale
Oh the world
Is not as bold
Snow and cold
Turn me into old
But thoughts of love
Is fresh like a rose
Her distance at sight
Is closer at night
Oh days in dream
Will it ever be real!

লাট্টু

রাস্তায় পড়ে আছে কিষাণের লাশ। কে মারল? কে জানে? পুলিশ বলল ' আমি নই। অন্য কেউ। ' মৌসুমী-দরদী বাইকে সওয়ার। ' বললে হবে? পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক। '

মহামহিম বাইরে। তাই আপাতত পারিষদগণ চুপ। তিনি ফিরুন। কিছু বলুন। তবে না বাকিরা মুখ খুলবেন।

কিষাণের রক্তে ভেজে রাজপথ। আমার স্বদেশ।

লাট্টু।।

চৌকো ঘরে ঘুরছে লাট্টু, এ কোণ থেকে
ও কোণ
ও মন
কথার লাট্টু, ফানুস লাট্টু, রং মেখে ও
কখন
শোষন
হয়ে যায় জানে পাত্র, মিত্র, অমাত্য মায়
স্বজন।
কজন
রাস্তায় বুক চিতিয়ে গুলি খায়, অসহায়
কজন
কজন
বলো মিত্রোঁ
কজন
কজন !!

Knock


চলো knock করি
এই দরজায়
চলো knock করি
এই ভরসায়

হতে পারে এটা
বন্ধুর বাড়ি
হয়তো ওপারে
বাসন্তী শাড়ি

কত মজা হবে
পরিচিত স্বরে
'এতদিন পরে
বুঝি পথ ভুলে?'

চলো knock করি
চলো knock করি ।।

( আবারও ধন্যবাদ উমা, হোয়াট্স আ্যাপ পোস্ট টার জন্য। )

চলো, কল্পনায়।

আবার চলে যাচ্ছি। সাময়িক। কোলকাতা ছেড়ে। একটা সময় ছিল। হাতে খুব অল্প কটা টাকা নিয়ে মৌসুমী আর আমি বেড়িয়ে পড়তাম। মালদা। দীঘা। ভোজনের যত্রতত্র, শয়নং হট্টমন্দিরে। আজ ভাবতেও পারি না। সেদিন পারতাম । খুশী মনে ফিরেও আসতাম। মার বকুনি। পাড়ার মোড়ে চোখ গোল গোল গল্প করা। সবই ছিল সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার অংশ।

কোলকাতার বন্ধুরা আজও বেড়াতে যায়। উইকএন্ডে কাছে পিঠে বা দূরে। লীনা-রাজর্ষি। পম্পা- সন্জয়। সুপ্রীতী- জয়ন্ত। আরও অনেকে। পোস্ট গুলো পড়ি। দেখা হলে গল্প গুলো শুনি।

বুঝি অনেক কিছু মিস করছি। কোলকাতায় না থাকার জন্য। আমি আর মৌসুমী।।

চলো, কল্পনায়।

এক রোববার ঘুরে আসি চলো কাছেপিঠে ফলতায়
স্টিয়ারিংএ থেকো তুমি আর আমি মাতি বর্ষায়
বাইরে বৃষ্টি বিদ্যুৎ রেখা, হেমন্ত গান গায়
এমনই দিনে তারে বলা যায়
এমনই ঘন ঘোর বরিষায়

এক রোববার ঘুরে আসি চলো পুরুলিয়া শুশুনিয়া
স্টিয়ারিং নেবো আমি আর তুমি হয়ো মরমীয়া
হাল্কা কুয়াশা হিমেল হাওয়া আখতার দরদীয়া
কোয়েলিয়া গান থামা, কোয়েলিয়া, কোয়েলিয়া

এক রোববার লং ড্রাইভে চলো না দার্জিলিং
পাহাড় বাঁকে শিহরন যত বুঝে নিক স্টিয়ারিং
গান টা না হয় তোলা থাক আজ
চোখ মেলে দেখি পাহাড়ের সাজ
এসেছি যখন হয়ে যাই চলো পাহাড়ের
offspring ।।